← সকল সংবাদে ফিরে যান

নোয়াখালীতে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা (পরিদর্শক) প্রত্যাহার

📅 2026-06-14📂 ধর্ষণ📍 চট্টগ্রাম🏷️ হাতিয়া, নোয়াখালী
নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের পরিদর্শক খোরশেদ আলমকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) ছিলেন। শনিবার ভুক্তভোগীর মায়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাতেই তাকে প্রত্যাহার করা হয়। কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, প্রায় ছয় মাস আগে তদন্তকেন্দ্রের মেসে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তখন হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) জানিয়ে লিখিত বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় দুজন জোরপূর্বক সাদা কাগজে তাদের সই নেন। এরপর থেকে ভয়ে তারা চার মাস ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তবে ধর্ষণের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন পরিদর্শক খোরশেদ আলম। তিনি দাবি করেন, তার বয়স ৬০-এর কাছাকাছি এবং তিনি এমন কাজ করেননি। তদন্তকেন্দ্রের এক উপপরিদর্শকের (এসআই) সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই এই মিথ্যা অভিযোগ সাজানো হয়েছে। এ বিষয়ে হাতিয়া সার্কেলের এএসপিকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে জেলা পুলিশ সুপার টি এম মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, অনেক আগে করা এই অভিযোগের বিষয়ে সার্কেলের এএসপিকে দিয়ে তদন্ত করানো হয়েছিল, কিন্তু তখন সত্যতা পাওয়া যায়নি। এখন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় অভিযুক্তকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পুনরায় তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।